Loading...

পুজোর আগে মেদ ঝরাতে সকাল সকালে হাঁটছেন? রাস্তায় হাঁটা না ট্রেডমিল, কোনটা বেশি কাজে দেবে?

  • নিজস্ব সংবাদদাতা

  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৪

পুজোর আর বেশি দেরি নেই। নতুন পোশাক কেনা হয়ে গিয়েছে, প্যান্ডেল হপিংয়ের পরিকল্পনাও তৈরি। কিন্তু পছন্দের পোশাক পরার আগে যদি মনে হয়, কয়েক কেজি ওজন কমানো দরকার, তা হলে এখন থেকেই শরীরচর্চা শুরু করতে পারেন। জিমে গিয়ে কঠিন ওয়ার্কআউট করার সময় না থাকলেও নিয়মিত হাঁটা হতে পারে সহজ উপায়। তবে প্রশ্ন হল—ভোরবেলা বাইরে হাঁটলে বেশি মেদ ঝরবে, নাকি ট্রেডমিলে হাঁটলে?

বাইরে হাঁটার সুবিধা কী?

ADVERTISEMENT

সকালে খোলা জায়গায় হাঁটলে শরীরচর্চার পাশাপাশি কিছুটা সময় প্রকৃতির মধ্যে কাটানো যায়। নিয়মিত দ্রুত গতিতে হাঁটা শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং ক্যালোরি খরচে সাহায্য করে। পুজোর আগে যাঁরা নতুন করে হাঁটা শুরু করছেন, তাঁরা প্রথমে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে পারেন। ধীরে ধীরে সময় ও গতি বাড়ানো যেতে পারে।

আরও পড়ুন

তবে বাইরে হাঁটার ক্ষেত্রে রাস্তার পরিস্থিতি, বৃষ্টি, দূষণ বা নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। পুজোর আগে কলকাতার রাস্তায় সকালবেলার হাঁটার জায়গা বেছে নেওয়ার সময় তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

ট্রেডমিল কি মেদ ঝরাতে বেশি কার্যকর?

ট্রেডমিলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, আবহাওয়া যেমনই থাকুক, নির্দিষ্ট সময়ে হাঁটা যায়। নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী গতি ও ইনক্লাইনও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে যাঁরা নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করতে চান, তাঁদের জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে।

ট্রেডমিলে হাঁটার সময় গতি বা ঢাল কিছুটা বাড়ালে শরীরের উপর পরিশ্রমও বাড়ে। ফলে একই সময়ে তুলনামূলক বেশি ক্যালরি খরচ হতে পারে। তবে শুধু ট্রেডমিল ব্যবহার করলেই দ্রুত ওজন কমবে—এমন নয়।

কোনটা বেছে নেবেন?

পুজোর আগে মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে আসল বিষয় হল নিয়মিত শরীরচর্চা। বাইরে হাঁটা হোক বা ট্রেডমিলে—যে পদ্ধতিতে আপনি নিয়মিত হাঁটতে পারবেন, সেটিই আপনার জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে। শুধু কয়েকদিন বেশি হাঁটার বদলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হাঁটার অভ্যাস তৈরি করুন।

আর ওজন কমাতে শুধু হাঁটার উপর নির্ভর করলে হবে না। খাবারের পরিমাণ ও ধরন, পর্যাপ্ত ঘুম এবং সারাদিনের সামগ্রিক শারীরিক সক্রিয়তাও গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর ক'দিন আগে হঠাৎ অতিরিক্ত শরীরচর্চা না করে এখন থেকেই ধীরে ধীরে রুটিন তৈরি করাই ভাল। বিশেষ কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে নতুন ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ADVERTISEMENT