পুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। কেনাকাটা, সাজগোজ সব মিলিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসবের প্রস্তুতি। কিন্তু শরীর খারাপ থাকলে এই আনন্দই হয়ে উঠতে পারে অস্বস্তির। বিশেষ করে বর্ষার সময়ে অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া থেকে হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি বা অন্ত্রের গোলমাল দেখা দিতে পারে। তাই পুজোর আগে রোজের খাবারে কয়েকটি ছোট পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
ফলের রস নয়, খান গোটা ফল: সকালের জলখাবারে বাজারচলতি প্যাকেটজাত ফলের রসের বদলে গোটা ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্যাকেটজাত পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি থাকতে পারে। গোটা ফল থেকে ফাইবারও পাওয়া যায়, যা হজমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সব্জি থাকুক পাতে: প্রতিদিনের খাবারে সবুজ শাকসব্জি এবং মরশুমি ফল রাখুন। ভাত বা কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে পাতে সব্জির পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে। এতে খাবার তালিকায় ফাইবারের পরিমাণও বাড়বে।
যে খাবারে অ্যালার্জি, তা এড়িয়ে চলুন:
পুজোর আগে নতুন কোনও খাবার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করাই ভাল, বিশেষ করে যে খাবারে আগে থেকেই অ্যালার্জি বা অস্বস্তির সমস্যা রয়েছে। পছন্দের খাবার হলেও শরীরের জন্য সমস্যা তৈরি করলে তা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন:
পুজোর আগে থেকেই নিয়মিত বাইরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস কমানোর চেষ্টা করুন। কাজের ফাঁকে খিদে পেলে চিপস বা ভাজাভুজির বদলে সঙ্গে রাখতে পারেন বাদাম বা ড্রাই ফ্রুটসের মতো খাবার।
প্রোবায়োটিক খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়:
অন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রোবায়োটিক খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। খাবারের পর টক দই খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। তবে দুধজাত খাবারে কারও অসহিষ্ণুতা থাকলে বা চিকিৎসক কোনও খাবার এড়াতে বলে থাকলে সেই পরামর্শই মেনে চলুন।
পুজোর কয়েকদিন অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়া হবেই। তাই উৎসবের আগে থেকেই কিছুটা সাবধান হলে শরীরকে সামলানো সহজ হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পেটের সমস্যা থাকলে শুধু খাদ্যাভ্যাস বদলে না রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভাল।