আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতায় ঐতিহ্যবাহী কালীমন্দির বলতে সাধারণ মানুষ বোঝেন দক্ষিণশ্বের এবং কালীঘাটকেই। ফি বছরই কালীপুজোর দিন এই দুই মন্দিরে লম্বা লাইন পড়ে ভক্তদের। আর এই বছর বরানগরের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং জনপ্রিয় ক্লাব ‘নবোদয়’-এর ভাবনায় ফুটে উঠল দক্ষিণশ্বের মন্দির।
৬২তম বর্ষে নবোদয় ক্লাবের কালীপুজোর ভাবনা ‘দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মায়ের মন্দির।’ প্রতি বছরের মতোই এবারেও নবোদয় ক্লাবে ধুমধাম করে আয়োজন করা হয়েছে শক্তির আরাধনার এই মহা উৎসবের। এবারের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ দক্ষিণশ্বের হলেও ‘ঐতিহ্যের দক্ষিণেশ্বর, আবেগের নবোদয়’ এই বিশেষ ভাবনাকে সামনে রেখেই সাজানো হয়েছে মণ্ডপ, ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আলোকসজ্জা।
উৎসবের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও বরাবরই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে নবোদয় ক্লাব। ৬ নভেম্বর অর্থাৎ শুক্রবার নবোদয় ক্লাবের এবারের কালীপুজোর উদ্বোধন করেন স্বামী জিতাত্মানন্দজী। ক্লাবের তরফে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় বারুইপুরের ৫৬ জন দুঃস্থ শিশুদের মধ্যে।
পুজো মণ্ডপ প্রদর্শনে এসেছিলেন বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষও। উল্লেখ্য, কালীপুজো উপলক্ষ্যে পাঁচদিন ধরে ক্লাবের তরফে আয়োজন করা হয়েছে একাধিক অনুষ্ঠানেরও। শনিবার ভূত চতুর্দশীর রাতে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। রবিবার রাত ৯টা থেকে শুরু হবে পুজো।
সোমবার বিকেল থেকে ভোগ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে ক্লাবের তরফে। জানানো হয়েছে, ক্লাব সংলগ্ন এলাকাবাসী এবং ক্লাব সদস্যদের মধ্যে ভোগ বিতরণ করা হবে। বুধবার বিকেলে বিরাট শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে এই বছরের কালীপুজোর।