কয়েকটা বাঙালি পরিবারের উদ্যোগ আজ বিশাল মিলনোৎসব, ঐতিহ্য মেনে হইহই করে দুর্গাপুজো কাটাল নটিংহ্যাম বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন
1/10
প্রবাসে দুর্গাপুজো মানে শুধু পুজোর চারটে দিন নয়। প্রবাসে দুর্গাপুজো মানে শিকড়ের টান, ফেলে আসা শৈশব, পাড়ার পুজোর স্মৃতি, ঢাকের বাদ্যি, ধুনোর গন্ধ, অঞ্জলি, ভোগ আর একসঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠা।
2/10
২০১৮ সালে কয়েকটি বাঙালি পরিবার মিলে ব্রিটেনের নটিংহ্যামে শুরু করেছিল দুর্গাপুজো। নটিংহ্যাম বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের ছোট সেই উদ্যোগের ন’বছর পূর্ণ হল ২০২৬ সালে।
ADVERTISEMENT
3/10
বর্তমানে নটিংহ্যামের দুর্গাপুজো পরিণত হয়েছে প্রবাসী বাঙালিদের এক বিশাল মিলনোৎসবে। দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে শারদোৎসবের আনন্দ, আবেগ আর ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার সেই ছোট্ট স্বপ্ন আজ অনেক বড় হয়ে উঠেছে।
4/10
চলতি বছর ১৭ থেকে ২০ অক্টোবর নটিংহ্যাম বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন সগৌরবে উদযাপন করল তাদের নবম বর্ষের দুর্গাপুজো। চার দিনের এই উৎসবে প্রায় ৪০০০ মানুষ যোগ দিয়েছিলেন।
ADVERTISEMENT
5/10
নটিংহ্যাম বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের এবারের ভাবনা ছিল ‘গ্রাম বাংলার শিল্প ও আলপনা।’ পুজোর সাজসজ্জায় ছিল বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির এক নতুন গল্প। সম্পূর্ণ সাজসজ্জাই ছিল হাতে তৈরি ও হাতে আঁকা।
6/10
মাদুর, কুলো, পাখা এবং বাংলার চিরাচরিত আলপনার নকশায় সেজে উঠেছিল পুজো প্রাঙ্গণ। কোনও পেশাদার শিল্পী বা ডেকোরেটর নয়, কমিটির নিজেদের ডেকোরেশন টিমের সদস্যরাই মাত্র তিন দিন ও তিন রাতের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে তুলেছিলেন এই অসাধারণ পরিবেশ।
ADVERTISEMENT
7/10
এবারও সপ্তমীর সকালে কলাবউ স্নান বা নবপত্রিকা স্নান থেকে শুরু করে কুমারী পুজো, সন্ধিপুজো ও তার ঐতিহ্যবাহী প্রতীকী বলি, নবমীর যজ্ঞ, প্রতিটি আচার যথাযথ নিষ্ঠা ও ভক্তির সঙ্গে পালন করা হয়েছে।
8/10
দশমীর দিন মায়ের বরণ, সিঁদুর খেলা আর ধুনুচি নাচের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চার দিনের উৎসব। হাসি, আনন্দ আর চোখের জলে নটিংহ্যামের বাঙালিরা বিদায় জানিয়েছেন তাঁদের ঘরের মেয়ে উমাকে।
ADVERTISEMENT
9/10
এই বছর চার দিন ধরে পুজোয় আগত সমস্ত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য ছিল ঐতিহ্যবাহী ভোগপ্রসাদের আয়োজন। প্রতিদিন এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য রান্না করা মোটেই সহজ কাজ নয়। কিন্তু কুকিং টিমের সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রমে তা সম্ভব করেছেন।
10/10
বাংলার মাটি থেকে অনেক দূরে থাকলেও প্রতিটি আলপনায়, প্রতিটি ঢাকের তালে, প্রতিটি অঞ্জলিতে, প্রতিটি ভোগের আয়োজনে নটিংহ্যামের বাঙালিরা খুঁজে পেয়েছেন বাংলাকে। আর এই ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে চলবে নটিংহ্যাম বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের পথচলা।
ADVERTISEMENT
সবাই যা পড়ছেন
ADVERTISEMENT