কলকাতার মেজাজটাই তো আড্ডা আর খোলামেলা খোশগল্পের।রেস্তোরাঁর ঘড়িধরা নিয়ম বা টেবিল খালি হওয়ার ইঁদুরদৌড় ভুলে বন্ধুদের সঙ্গে নিখাদ ফুরফুরে সময় কাটাতে চান? জবাব যদি হয় হ্যাঁ, তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ কিছু আইডিয়া।
১. পারফেক্ট স্পট বাছাই:
কলকাতার মেজাজটাই তো আড্ডা আর খোলামেলা খোশগল্পের।রেস্তোরাঁর ঘড়িধরা নিয়ম বা টেবিল খালি হওয়ার ইঁদুরদৌড় ভুলে বন্ধুদের সঙ্গে নিখাদ ফুরফুরে সময় কাটাতে চান? জবাব যদি হয় হ্যাঁ, তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ কিছু আইডিয়া।
১. পারফেক্ট স্পট বাছাই:
ADVERTISEMENT
খোলা হাওয়া আর সবুজ: দক্ষিণ কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর লেকের ধার, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের বাইরের চত্বর বা ম্যাডক্স স্কোয়ারের প্রাঙ্গন। প্যান্ডেলের কোলাহল থেকে দূরে এখানে বসে ইচ্ছেমতো সময় কাটানো যায়।
রুফটপ বা ছাদের ক্যাফে: পার্ক স্ট্রিট, তপসিয়া বা সেক্টর ফাইভের চাদর রেস্তরাঁ বা রুফটপ ক্যাফেগুলো বেছে নিতে পারেন। চারপাশে খোলা আকাশ আর নীচের জমজমাট কলকাতার রূপ দেখতে দেখতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাবে।
অন-দ্য-গো ফুড ওয়াক: রেস্তরাঁয় বসে অর্ডার দিয়ে অপেক্ষা করার চেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা, রোল, ফিশ ফ্রাই বা কাটলেট খেতে খেতে আড্ডা দেওয়ার মজাই আলাদা! পার্ক স্ট্রিট, যাদবপুর কিংবা কলেজ স্ট্রিটের রাস্তায় এই ফুড ওয়াক কিন্তু দারুণ জমবে।
২. সঠিক সময় নির্বাচন
গোল্ডেন আওয়ার (বিকেল ৫টার আগে): বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে আড্ডা শুরু করলে সূর্যাস্তের নরম আলোয় যেমন ভাল সময় কাটবে, তেমনই প্যান্ডেল বা রেস্তোরাঁর ভিড় শুরু হওয়ার আগেই আপনারা ফাঁকা জায়গায় আড্ডা সেরে নিতে পারবেন।
মিডনাইট চিল (রাত ১০টার পরে): শহরের উন্মাদনা যখন একটু থিতিয়ে আসে, তখন রাত ১০টার পর কোনও খোলা জায়গায় বা ছাদের ক্যাফেতে জমিয়ে আড্ডা বসাতে পারেন। সময়ের কোনও তাড়া থাকে না বলে এই সময়ে আড্ডাটা সবচেয়ে গভীর হয়। হয় মনের মতও।
৩. আড্ডাকে আরও জমজমাট করার অন্যরকম আইডিয়া
বনেদি বাড়ির পুজো বা উত্তর কলকাতার শান্ত অলিগলি: বড় বড় থিম প্যান্ডেলের মাইকের কানফাটানো শব্দ আর মানুষের ঢল এড়াতে উত্তর কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়ি, সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবার কিংবা মল্লিক বাড়ির মতো বনেদি বাড়ির পুজোগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। সেখানে একটা শান্ত, ঐতিহ্যের ছোঁয়া আছে। সেখানকার লম্বা টানা বারান্দায় বা লনে বসে দিব্যি জন্যে ফেলতে পারেন আড্ডা।
ইনডোর গেমিং ও বোলিং: বন্ধুদের সঙ্গে শুধু আড্ডাই নয়, একটু খেলাধুলো বা মজা করতে শহরের কোনও ভাল গেমিং জোন, বোলিং অ্যালি বেছে নিতে পারেন। এতে রেস্তোরাঁর বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে দারুণ একটা এনার্জি পাওয়া যায়। হুল্লোড়টাও হয় বেশ অন্যরকম।
বন্ধুদের গ্রুপে এই প্ল্যানটা শেয়ার করে ফেলুন এবং তারপর দেখুন এই পুজোয় কোন আইডিয়াটা দিয়ে আপনাদের আড্ডাটা শুরু হচ্ছে!
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT