তাঁর উদাত্ত কণ্ঠস্বরে গান কখনও হয়ে ওঠে প্রতিবাদ আবার কখনও সে গান হয়ে ওঠে অনাবিল আনন্দের ভাষা৷ তবে শুধু গান নয়, সুর তাল ছন্দের পাশাপাশি ব্যবসাও সামলান গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্র৷ তাঁর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের অন্নসংস্থানের দায়ভারও তাই শিল্পীর কাঁধে৷ তবে দায় দায়িত্ব সামলেই তিনি হইহই করে বাঁচার কথা বলেন৷ তাঁর কর্মযজ্ঞে 'লক্ষ্মী' সদা বিরাজমান৷ কিন্তু লক্ষ্মীরা আসলে কেমন? প্রতিবাদী না নির্বিবাদী? আজকাল ডট ইন-এর প্রশ্নে লোপামুদ্রা মিত্র বলেন, " লক্ষ্মী ঠাকুর বললে তাঁর মনে হয় ধনসম্পদের দেবী৷ কিন্তু লক্ষ্মী মেয়ে মানে কি এখন আর আগের মতো শান্ত নম্র আস্তে কথা বলা মেয়ে নয়৷ এখন সকলেই লক্ষ্মী৷ যে কোনও কাজ যে খুব সুন্দর করে করবেন, তিনিই লক্ষ্মী৷" কিন্তু সমাজ কি এখনও মেয়েদের শান্ত বাধ্য হিসাবে দেখতে চায়? লোপামুদ্রার মনে হয় না৷ নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমি যদি এখন শান্ত বাধ্য হয়ে যাই তাহলে তো মানুষজন আমার মনে হয়, আমাকে পছন্দ করবেন না।"
কেরিয়ার আর সংসার এই দুই একাহাতে সামলাতে গেলে সময় এবং পরিস্থিতি বিশেষে প্রাধান্য বদলানো স্বাভাবিক। কিন্তু এই স্বাভাবিক বিষয়টা মেয়েদের জীবনে ততটা স্বাভাবিক নয়৷ কিছু ক্ষেত্রে মেয়েরা বলে থাকেন, আমাকে কাজ করতে দেয় অথবা আমার শ্বশুরবাড়িতে চাকরি করা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই৷ আর্থিক স্বাধীনতা যে অন্য কারও নির্দেশ বা ছাড়পত্রের বিষয় নয়, বরং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত সেই বোধ যেমন একাংশের মেয়েদের মধ্যে তৈরি হয় না। তেমনই আবার মেয়েদের কাছেই প্রত্যাশা থাকে ঘরে বাইরে সে সবটা সামলে নেবে৷