Loading...

পুজোর সাজে সাবেকিয়ানার সঙ্গে আধুনিকতা, ট্রেন্ডিং কাটদানা জামদানিতে সেজে উঠুন উৎসবের দিনে

  • নিজস্ব সংবাদদাতা

  • ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:১১

দুর্গাপুজোয় শাড়ি ছাড়া বাঙালির সাজ যেন অসম্পূর্ণ। আর শাড়ির কথা উঠলে জামদানির প্রতি বাঙালির টান চিরকালীন। ঢাকাই, ফুলিয়া কিংবা সফট জামদানির পাশাপাশি এ বার পুজোর ফ্যাশনে আলাদা করে নজর কাড়ছে কাটদানা জামদানি। ঐতিহ্যবাহী জামদানির বুননের সঙ্গে ঝলমলে কাটদানা, দুইয়ের মেলবন্ধনে তৈরি এই শাড়ি সাবেকি সাজে যোগ করছে আধুনিকতার ছোঁয়া।

বাংলার তাঁতশিল্পের অন্যতম পরিচিত নাম জামদানি। সূক্ষ্ম বুনন, নকশার বৈচিত্র্য এবং নিজস্ব আভিজাত্যের জন্য এই শাড়ির কদর শুধু বাংলায় নয়, দেশের বাইরেও রয়েছে। সেই ঐতিহ্যবাহী জামদানির নকশার সঙ্গে যখন ছোট ছোট কাটদানা বা কাচের পুঁতির মতো অলঙ্করণ যুক্ত হয়, তখন শাড়ির লুকটাই বদলে যায়।

ADVERTISEMENT

কাটদানা জামদানি আসলে কী?

আরও পড়ুন

সহজ করে বললে, প্রচলিত জামদানি বুননের উপর সূক্ষ্ম হাতে ছোট ছোট ঝকঝকে কাটদানা বসানো হয়। জামদানির চেনা ফুল, লতা, পাতা বা জ্যামিতিক নকশার মধ্যেই এই কাজ করা হতে পারে। কোথাও সুতোর কাজের সঙ্গে কাটদানা ব্যবহার করা হয়, আবার কোথাও নকশার আলাদা অংশে বসানো হয় এই ঝলমলে অলঙ্করণ। আলো পড়লে কাটদানাগুলি চকচক করে ওঠে। ফলে দূর থেকেই শাড়ির নকশা বেশ চোখে পড়ে। সাধারণ জামদানির তুলনায় তাই কাটদানা জামদানিতে উৎসবের আমেজ খানিক বেশি।

এই শাড়ির অন্যতম আকর্ষণ হল এর ডিজাইন। একদিকে রয়েছে বাংলার পুরনো তাঁত ও জামদানির ঐতিহ্য, অন্যদিকে কাটদানা, সুতোর কাজ, আরি কিংবা জার্দোসি ধরনের কারুকাজের ব্যবহার। ফলে শাড়িটি একেবারে সাবেকি হয়েও বর্তমান সময়ের ফ্যাশনের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।

রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। সাদা, লাল, নীল, বেগুনি-সহ নানা রঙে দেখা যাচ্ছে কাটদানা জামদানি। তবে পুজোর বাঙালি সাজের জন্য লাল-সাদা কাটদানি জামদানি বিশেষ ভাবে নজর কাড়তে পারে।

পুজোর সময় শুধু সাজলেই তো হবে না, ঠাকুর দেখা থেকে শুরু করে অঞ্জলি, ঘোরাঘুরি, সারাদিনই নানা কাজে থাকতে হয়। সেই দিক থেকেও কাটদানা জামদানি বেশ সুবিধার হতে পারে। এই শাড়ি হালকা হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পরে থাকলেও অসুবিধা হবে না৷ পুজোর সাজে যদি একসঙ্গে আরাম, ঐতিহ্য এবং নজরকাড়া লুক চান, তা হলে কাটদানা জামদানি পরতেই পারেন৷

ADVERTISEMENT