আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোন সুদূর, সেই স্বপ্নপুর..., গুনগুন করতে করতে এবার ব্রিটেনের বুকে গড়েই তুলছেন এক টুকরো বাংলার গ্রাম। কেন্টে আর যেন তর সইছে না পুজোর।
বাঙালিদের কাছে দুর্গাপূজা তো কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়—এ এক আবেগ, এ এক অপেক্ষা, বছরভরের। অপেক্ষা ঘরের ফেরার। আর যাঁরা ঘরে ফিরতে পারেন না, তাঁরা প্রবাসে, বিদেশ-বিভূঁইয়েই পুজোর ঘট পাতেন। সেই ভাবনা থেকেই, ঘরের বৈঠকখানায় ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিল পুজো। চ্যাথামে ‘মোকা’ (MOCA)-র হাত ধরে এক প্রাণবন্ত ও বৃহৎ সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে তা আজ।
ADVERTISEMENT
তবে উদ্যোক্তারা বলছেন, বাংলার বাইরে পূজা আয়োজন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। আর এ বছর তাদের অন্যতম বড় দুশ্চিন্তা ছিল একজন বাঙালি পুরোহিত খুঁজে পাওয়া। তবে মুশকিল আসান, এবার এই পুজোর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়। অরিন্দম সানন্দে এ বছর ‘মোকা’-র পূজা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন।
পুজো উদ্যোক্তারা বলছেন, 'আমাদের কাছে পূজা মানেই এক গভীর আবেগ। এটি হলো একত্র হওয়া, ভক্তি, উদযাপন এবং সুদূর প্রবাসেও ঘরের মতো আপন পরিবেশের সহজ আনন্দ উপভোগ করা। প্রতি বছর এখানে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জনের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করা হয়; পাশাপাশি থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান-বাজনা, নাচ, শিশুদের নানা কার্যকলাপ, সুস্বাদু খাবার এবং একে অপরের সান্নিধ্যে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত।'
কলকাতার ‘থিম পূজা’-র মতোই, ‘মোকা’-ও প্রতি বছর নতুন কোনও থিম ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে বিদেশের মাটিতেই। এ বছর তাদের থিম, বাংলার গ্রাম—যেখানে হাতে আঁকা আলপনায় ্থাকবে, থাকবে ছোট একখান ঘর। সদস্যরাই দিনে দিনে তৈরি করছেন সেই থিম। এখন কাজ প্রায় শেষের মুখে। ফলে আর তর সইছে না, অপেক্ষার।