আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঐতিহ্য, ভক্তি আর বাঙালির শারদোৎসবের আবেগকে সঙ্গী করে গৌরবময় ৯৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে মতিঝিল সর্বজনীন দুর্গোৎসব। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বজায় রেখে এ বছরও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে মায়ের আরাধনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় পুজোর উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সংঘ, আদ্যাপীঠের সাধারণ সম্পাদক তথা ট্রাস্টি পরম শ্রদ্ধেয় ব্রহ্মচারী মুরালভাই মহারাজ।
আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, এই শুভ অনুষ্ঠানে ভক্ত, দর্শনার্থী ও এলাকাবাসীর উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য। ৯৩ বছরের পথচলায় মতিঝিল সর্বজনীন দুর্গোৎসব শুধু একটি পুজো নয়, বরং এলাকার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও মিলনক্ষেত্র হিসেবেও বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
আদ্যাপীঠের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ব্রহ্মচারী মুরালভাই মহারাজ ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত। মানবসেবা, সম্প্রীতি এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তাঁর উপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছিল।

মতিঝিল সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছেন সুজিত দেব, সৌমিত্র চক্রবর্তী, সৌমিক চক্রবর্তী, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌনক চক্রবর্তী, সমীর পোদ্দার, সপ্তর্ষি দেব, পার্থিব দাশগুপ্ত, দেবব্রত রায়চৌধুরী, দেবাশিষ ঘোষ, সোমনাথ চক্রবর্তী-সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। তাঁদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গোৎসবের ৯৩তম বর্ষের সূচনা হয়েছে।
শারদোৎসবের আবহে ভক্তি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে মতিঝিল সর্বজনীন দুর্গোৎসবের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে আগ্রহ। প্রতি বছর এই পুজোয় নানা সমাজমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অষ্টমী এবং নবমী বিশেষ ভোগের আয়োজন থাকে। পুজোর প্রতিটি দিন সন্ধ্যা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবার তার ব্যতিক্রম নয়। সকল দর্শনার্থীদের মণ্ডপ পরিদর্শনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মতিঝিল সর্বজনীন দুর্গোৎসব।