আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক একটি পুজো মণ্ডপ। এক একটি গল্প। যে মণ্ডপের চারদিকে ফুটে ওঠে, গল্পের এক একটি লাইন। আর গত কয়তেকবছর ধরে, এই গল্প বলার কাজ নিখুঁতভাবে করে চলেছে আহিরীটোলা সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি। গৌরবময় ৮৭ তম বর্ষে তারা বলবে মিষ্টির ইতিহাসে বাংলার সম্প্রীতির আখ্যান।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের মতে, বাংলার মিষ্টির ইতিহাস আসলে বাংলার মানুষেরই ইতিহাস—তার জীবনযাপন, সংস্কৃতি, স্মৃতি, শ্রম, সৃজনশীলতা এবং সহাবস্থানের এক দীর্ঘ মধুর যাত্রা। গুড়, চাল, নারকেল ও ক্ষীরের প্রাচীন মিষ্টান্ন থেকে ছানা, সন্দেশ, রসগোল্লা, পান্তুয়া—বাংলার মিষ্টির বিবর্তনের প্রতিটি অধ্যায়ে মিশে আছে সময়ের ছাপ, কারিগরের সৃজনশীলতা এবং নানা সংস্কৃতির পারস্পরিক আদান-প্রদান। আসলে বাঙালির ঘরে, মিষ্টি কখনও কেবল একটি খাবার নয়, তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কত মানুষের গল্প, উৎসবের স্মৃতি, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সমাজের নানা স্তরের মানুষের মিলন।আর মিষ্টির দোকানওতো শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়—এ যেন বাংলার সামাজিক জীবনের এক ছোট্ট মিলনক্ষেত্র। পুজোর ভোগ, নববর্ষের আপ্যায়ন, বিয়ে, জন্মদিন কিংবা জীবনের নানা আনন্দঘন মুহূর্তে মিষ্টি হয়ে উঠেছে সম্পর্কের ভাষা। সে ভাষা ধর্ম, জাতি কিংবা সামাজিক বিভাজনের সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে।