Loading...

স্বাধীনতার আগে শুরু আরাধনা, পুজোর সূচনায় রয়েছে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মোরাঘাট রেঞ্জ অফিসের কালী-কথা জানেন?

আজকাল ওয়েবডেস্ক: ব্রিটিশ আমল থেকে মোরাঘাট রেঞ্জ অফিসে নিয়ম মেনে পুজিত হয়ে আসছে এই কালী। জানা যায় ১৯৪৬ সাল থেকে এই পুজোর শুরু হয়েছিল। গয়েরকাটা এলাকার প্রাচীন পুজো গুলির সব থেকে আগে এই পুজোটির শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুজো ধীরে ধীরে এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই পুজোর পিছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।

ব্রিটিশ আমলে অত্র এলাকার বনাঞ্চলগুলিকে দেখভাল করার জন্য গয়েরকাটায় রেঞ্জ অফিস স্থাপিত হয়। এখান থেকেই ব্রিটিশ কর্মচারীরা বন রক্ষনাবেক্ষণের কাজ করতেন। পরবর্তীতে, স্বাধীনতার পর ব্রিটিশরা ভারত ছাড়লে ১৯৫০ সালে এই রেঞ্জ অফিসটিকে জলপাইগুড়ি বনবিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। স্থানীয়রা এই কালীকে জাগ্রত কালী হিসেবে পুজো করেন।

ADVERTISEMENT

এই পুজোর প্রচলন করেন তৎকালীন স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী দুর্গাপদ ব্যানার্জি। সেই থেকে মহাসমারোহে কাঠ ব্যবসায়ী ও বনদপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীরা এই পুজোর আয়োজন করে আসছেন। জানা যায় মোরাঘাট রেঞ্জের কর্মরত এক আধিকারিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বহু চেষতাতেও সুস্থ হয়ে উঠছিলেন না। পরবর্তিতে ঐ আধিকারিকের সুস্থতা কামলায় ওই কালীর কাছেই যান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মানত করা হয়, আধিকারিক সুস্থ হলে, অফিস প্রাঙ্গনে স্থাপন করা হবে মন্দির।

আরও পড়ুন

সেই মতো আধিকারিক সুস্থ হলে পরবর্তীতে প্রতিবছর নিয়ম করে সেই পুজোর আয়োজন হয়ে আসছে। বর্তমানে মন্দির প্রাঙ্গনে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে ঝা চকচকে মন্দির। প্রতিবছরের মতো এবছরও পুজো উপলক্ষে আলোয় সাজানো হয়েছে মন্দিরসহ পুরো রেঞ্জ অফিস চত্ত্বর । মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জার চন্দন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে প্রতিবছরের মতো এবছরও কালী পুজোর আয়োজন হচ্ছে। পাশাপাশি পুজোর পরবর্তী সময়ে ডুয়ার্সের বন্যা দূর্গত বনবিভাগের তরফে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

ADVERTISEMENT