সাহেবের কথায়, "পুজোর কয়েকটা দিন আমাদের জন্য বেশ ব্যস্ততার। কারণ, পরিক্রমা থাকে, বিভিন্নরকম অনুষ্ঠান থাকে, এর মধ্যেই পুজো কাটে। এই সময়টায় ভাই-বোনেরা সবাই বাইরে থেকে আসে। একটা হইহুল্লোর হয়, গেট টুগেদার হয়। চারপাশটা আরও বেশি যেন গমগম করে।"
ADVERTISEMENT
অভিনেতা আরও বলেন, "যেহেতু এই বছর মা থাকছেন না, বোনের কাছে যাচ্ছেন, তাই ঘরটা ব্যাচেলরদের মতো হয়ে যাবে। আমি আর বাবা দু'জনে মিলে কী করব জানি না। মা না থাকলে বাড়ির পরিস্থিতিটা শোচনীয় হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বেশি মিস করব মায়ের হাতের রান্নাগুলো। প্রতি বছর পুজোয় বিভিন্ন দিনে বিভিন্নরকম রান্না হয় আমাদের বাড়িতে। কোনওদিন চিংড়ি মালাইকারি, কোনওদিন কষা মাংস আর লুচি, আলুপোস্ত সব মিস করব। খাওয়া-দাওয়ার দিক থেকে একটা বিরাট খামতি থেকে যাবে মনে হচ্ছে।"
সাহেব বলেন, "যত বয়স বেড়েছে পুজোর আনন্দটাও বদলে গিয়েছে। ছোটবেলায় নতুন জামা, পুজোর উপহার পেলে কী মজা হত। আর এখন সবাইকে তাঁদের পছন্দমতো উপহার দিতে পারলে ভাল লাগে। আমি যদিও পুজোর ফ্যাশনে বাঙালিয়ানাই রাখি। এবছরও সেরকম প্ল্যান। একটা সময় পর বুঝতে পেরেছি, বাঙালিয়ানাটা দুর্গাপুজোর সময় আমরা আরও বেশি করে আঁকড়ে ধরতে চাই। আমিও সেই দলেই পড়ি। তাই কখনও পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাই না। আর কোথাও গেলেও ফিরে আসার চেষ্টা করি। আসলে কলকাতার মতো পুজোর এনার্জিটা আর কোথাও পাওয়া যায় না।"