ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। গত বছর অভিনেতা রুবেল দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় শ্বেতার। বাংলা টেলিভিশনের পয়লা নম্বর অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। খ্যাতি, যশ, অর্থ সবই আছে। এখন শ্বেতার কাছে সব কিছুই মসৃণ। যদিও একটা সময় অর্থাভাবের সঙ্গে জুযতে হয়েছে। অতীতকে পিছনে ফেলে জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন শ্বেতা। তবু মাঝে মধ্যে ফেলা আসা দিন গুলো যেন পিছু নেয় অভিনেত্রীর। বিয়ের পর থেকেই সেভাবে টিভির পর্দায় দেখা যায়নি শ্বেতাকে। যদিও পঞ্চমী অবধি হাত ভর্তি কাজ।
পুজোর কটা দিন নিরামিশ খাওয়া পাপ, জমিয়ে মাছ-মাংস খাব:শ্বেতা ভট্টাচার্য
ADVERTISEMENT
কাজ থাকলেও অভিনেত্রীর হাতে অনেকটা সময় এই মুহূর্তে। কারণ, মেগা করছেন না। তবে পুজোর উদ্বোধন থেকে প্রমোশনে বেশ কিছু কাজ রয়েছে। তবে ছোট পর্দা মিস করছেন না। শ্বেতার কথায়, “আমি এখন কাজ করছি না, সেই কারণে আমার দুঃখ নেই। আমার জীবনে ওই দৌড়টা নেই। আমি কাজটা মিস্ করি না। তবে পরিবারকে ভাল রাখতে কাজ দরকার। তবে আপাতত আমি আমার পরিবারকে পুরো সময়টা দিত পারছি। চাইলে কাল থেকেই কাজ করতে পারি। কিন্তু নিজের জন্য সময় নিচ্ছি।”
আরও পড়ুন
তাহলে কী পুজোয় বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে? শ্বেতা অকপটে জানান, শুধু এ বছরের পুজো কেন, কোনও বছরেই পুজোতে শহর ছেড়ে কোথাও যেতে পছন্দ না তাঁরা। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি ভীষণ মজা করতে ভালবাসি। ঘরে বসে থাকলেও যদি কানে ঢাকের বাদ্যি আসে, তখন মনে হয়– হ্যাঁ, পুজো চলছে। লোকের পাহাড়-সমুদ্র এসব ভাল লাগে, আমার পছন্দ কলকাতা। আর পুজোর কটা দিন জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করতে ভালবাসি।” সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বাগেশ্বর বাবা এসে বাঙালির আমিষ খানপিনা নিয়ে মন্তব্য করতেই রাজ্যজুরে বিতর্কের ঝড়। শ্বেতার কথায়, “ পুজোর কটা দিন নিরামিশ খাওয় পাপ। আমি জমিয়ে মাছ-মাংস খাব। যা প্রাণে চাইবে তাই খাব। আসলে পুজোয় কোনও বিধি নিষেধ থাকা উচিত নয়।” এই প্রসঙ্গে শ্বেতা স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, “ছোট বেলায় আমি একবার পুজোতে বেরিয়ে যা দেখেছি তাই খেয়েছি। বাবাও কিনে দিয়েছেন মানে খেতে এতটাই ভালবাসি।” খাওয়া –দাওয়া ছাড়াও একটা অভ্যোসে শ্বেতার রয়ে গিয়েছে সেটা হল পুজোর জামা-কামড় কেনা। অভিনেত্রী জানান, পুজোয় কমপক্ষে তাঁর পাঁচটা পোশাক লাগবেই। ছোট বেলার থেকেই অভিনেত্রীর সেই স্বভাবের বদল হয়নি। আর পুজোয় কলকাতা ছেড়ে কখনও যেতে পারেননি।
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
সবাই যা পড়ছেন
ADVERTISEMENT