Loading...

EXCLUSIVE: বম্বে থেকে পুজোর ঠিক মুখে কলকাতায় আসার অনুভূতিটা একদম আলাদা: অন্তরা ভট্টাচার্য

দেবীপক্ষের শুভ সূচনা ঘটে গিয়েছে। ফলে পুজো যে একেবারে দোড়গোড়ায় এসেই গিয়েছে সেটা কুমোরটুলি হোক বা হাতিবাগান, এসপ্ল্যানেড, সর্বত্র চোখ রাখলেই বোঝা যাচ্ছে। এই বছর বহুদিন পর কলকাতায় লম্বা সময়ের জন্য রয়েছেন গায়িকা অন্তরা ভট্টাচার্য, তবে সেটা কাজের জন্যই। পুজোয় মুক্তি পাচ্ছে 'এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র'। এই ছবিতে গান গেয়েছেন তিনি। সামনেই ছবির মুক্তি, তার মধ্যেই পুজোর একাল, সেকাল এবং প্ল্যানিং নিয়ে আজকাল ডট ইনকে কী জানালেন তিনি?

দুর্গাপুজো বলতে অন্তরার কাছে কী? ছোটবেলার পুজোর সঙ্গে, এখনের পুজোয় কতটা ফারাক অনুভব করেন জানতে চাইলে অন্তরা বলেন, "দুর্গাপুজো মানেই আমার কাছে আনন্দ করা। আমি প্যান্ডেল হপিং করতে খুব ভালবাসি। ছোটবেলায় আমাদের ২৫-৩০ জনের একটা গ্রুপ ছিল, সকলে মিলে প্যান্ডেল হপিংয়ে যেতাম। ঠাকুর দেখতে গিয়েই ঝামেলা, ঝগড়া হতো, যে এই ঠাকুর দেখব না, হাঁটতে পারছি না। গ্রুপ ভেঙে যেত। সবটা মিলিয়েই প্রচুর আনন্দ করেছি ছোট থেকে। রাতে প্যান্ডেলে বসে থাকতাম, গানবাজনা করতাম। ম্যাডক্সে যেতাম, আড্ডা মারতাম। কিন্তু বম্বে চলে যাওয়ার পর ওটা একদমই বদলে গেছে।"

ADVERTISEMENT

কী বদল এসেছে পুজোর আনন্দে? গায়িকার কথায়, "ছোটবেলায় উত্তেজনা ছিল, কী কী ঠাকুর দেখতে হবে, একডালিয়া থেকে শুরু করব, ৯৫ পল্লি দেখব। আজ পুরো সাউথ দেখব, কাল নর্থ যাব,....। এখন পুজোতে ফেরাটাই আমার জন্য অনেক হয়ে গেছে। বছরে আমি একবার হয়তো ফিরি, আর সেটা দুর্গাপুজোর সময়। ষষ্ঠী বা পঞ্চমীর দিন ফিরি, দশমীর দিন বেরিয়ে যাই। ওখানে কাজ থাকে। এখন আর ওই এসে বন্ধুদের সঙ্গে যে রোজ দেখা হতো, সেটা হয় না। অষ্টমী বা নবমী কোনও একদিন দেখা হয়। ভাগাভাগি হয়ে গিয়েছে দিনগুলো, যে এই দিনটা বন্ধুদের সঙ্গে বেরোব, এই দিনটা বাবা মায়ের সঙ্গে। অষ্টমীর দিন অঞ্জলি দেওয়া থাকে, সপ্তমীর দিন কোনও কাজ থাকে। এভাবে কাজে কাজেই কেটে যায়। শৈশব আর নেই। তবে এটাও আমার জন্য আনন্দের।"

আরও পড়ুন

অন্তরা ভট্টাচার্য তাঁর পুজোয় বাড়ি ফেরার আনন্দ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, "আমি যখন ওখান থেকে বিমানের টিকিট কাটি, সেটাও একটা দারুণ ভাল লাগার, যে 'পুজো আসছে, পুজো আসছে'। ওই ফ্লাইটে বসে যে এখানে আসা, ওটার যে একটা খুশি, ওটা অন্য সময়ের আসার থেকে একদম আলাদা। দুর্গাপুজোর ঠিক মুখে যখন কলকাতা ঢুকি, সেই পুজোর আমেজটা সেটা একদম আলাদা একটা অনুভূতি।"

এই বছর বহুদিন পর কলকাতায় লম্বা সময়ের জন্য আছেন। যদিও সেটা কাজের জন্য, তবুও শহরকে আবারও কাছ থেকে সেজে উঠতে দেখার আনন্দ কম নাকি? তাই এবারের পুজো তাঁর কাছে খুব বিশেষ। অন্তরা তাই বললেন, "১০ বছর পর আমি এতদিন কলকাতায় আছি। খুবই ভাল লাগছে। এবারের পুজোটা আমার কাজে কাজের মধ্যেই কাটছে। পুজোর মধ্যেই প্রচার, গান লঞ্চ, সব কিছুই। একটা আলাদা রকমের অনুভূতি। কলকাতায় যে এত বছরের পুজো কাটিয়েছি তার মধ্যে একদমই আলাদা।"

ADVERTISEMENT