Loading...

বাংলাদেশ থেকে আসে গাওয়া ঘি, গোবিন্দভোগ চাল বাটা দিয়ে রান্না হয় মাংস, সুদীপা চ্যাটার্জির বাড়ির পুজোর ভোগে আর কী বিশেষত্ব?

সুদীপা চ্যাটার্জির বাড়ির পুজো খুবই জনপ্রিয়। নিজের হাতে ভোগ রাঁধেন সুদীপা। তাঁদের বাড়ির পুজোর ভোগে রয়েছে বিশেষত্ব। আজকাল ডট ইন-কে সুদীপা বলেন, "আমাদের অন্নভোগ দেওয়ার রীতি।‌ কলকাতার খুব কম বাড়িতেই অন্নভোগ দেওয়া হয়, তাঁর মধ্যে আমাদের বাড়ি রয়েছে।‌ এছাড়াও আমরা মাকে আমিষ ভোগ দেওয়া। একেকদিন এক এক রকম চালের ভোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ থেকে আসে চিনিগুড়া চাল এবং গাওয়া ঘি-ও আসে। সেটা দিয়ে অষ্টমীর দিন মাকে মাখা পোলাও দেওয়া হয়। এছাড়াও রায়গঞ্জের তুলাইপাঞ্জি চাল আসে, গোবিন্দভোগ চাল আসে। আমাদের নবমীর পর আমিষ ভোগ দেওয়া হয়। আর দশমীর পর আর ইলিশ ঢোকে না আমাদের বাড়িতে। মায়ের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে ইলিশ মাছ আর পাতে পড়ে না আমাদের, সেই সরস্বতী পুজো অবধি।"

ADVERTISEMENT

"আমাদের অন্নভোগ রান্না করেন বাড়ির মেয়েরা, কিন্তু নিবেদন করেন বাড়ির ছেলেরা। পায়েস আবার ছেলেরা রান্না করেন‌। আমরা ছানা বা পনিরের কোনও পদ রাখি না ভোগে। কারণ দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি হয় যেহেতু তাই সেটা অশুভ বলে ধরা হয় আমাদের বাড়িতে। এমনকী হিং-এর ব্যবহারও হয় না। মাংসে পেঁয়াজ-রসুনের ব্যবহার হয় না বলে গোবিন্দভোগ চাল বাটা পড়ে আমাদের রান্নায়।"

আরও পড়ুন

সুদীপা জানান, প্রতিবছর পুজোটা যেন তাঁর কাছে বাড়ির মেয়ের ঘরে ফেরা। পুজোর পাঁচটা দিন মেয়েকে আদর-আপ্যায়ণ করেই কাটে তাঁর।

ADVERTISEMENT